শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন ছাত্র–জনতা। আজ বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর শাহবাগ মোড়েছবি: প্রথম আলো
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ চলছে।
আজ
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দেন
বিক্ষোভকারীরা। তাঁরা ‘তুমি কে আমি কে, হাদি হাদি’, ‘জাহাঙ্গীরের গদিতে,
আগুন জ্বালাও একসাথে’, ‘আমরা সবাই হাদি হবো, গুলির মুখে কথা কব’, ‘লীগ ধর,
জেলে ভর’সহ নানা স্লোগান দিচ্ছেন তাঁরা।
শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন ছাত্র–জনতা। আজ বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর শাহবাগ মোড়েছবি: প্রথম আলো
ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র
প্রার্থী ছিলেন। ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট
রোডে তাঁর মাথায় গুলি করে দুর্বৃত্তরা। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে প্রথমে
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে
রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য
সরকারের উদ্যোগে তাঁকে গত সোমবার এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া
হয়।
সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ রাত পৌনে ১০টা দিকে ওসমান হাদির মৃত্যু হয়।
নীচে একটি সহজ, সুন্দর এবং পরিষ্কার “ডেস্কটপ কম্পিউটার স্টোরি” দেওয়া হলো, যা স্কুলের কাজ, প্রবন্ধ বা প্রজেক্টে ব্যবহার করা যাবে:
🖥️ ডেস্কটপ কম্পিউটার – একটি ছোট গল্প
অনেক বছর আগে কম্পিউটার আজকের মতো ছোট ছিল না। তখন কম্পিউটার ছিল বিশাল আকারের—পুরো একটি ঘর ভরে যেত। শুধু বিজ্ঞানী, বড় কোম্পানি বা সরকারি দপ্তরই এসব কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারত। সাধারণ মানুষের কাছে কম্পিউটার ছিল এক ধরনের স্বপ্ন।
🌱 শুরুটা
সময় এগোলো, প্রযুক্তি উন্নত হলো। ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রগুলো ছোট ও শক্তিশালী হতে লাগল। তখনই ভাবা হলো—যদি এমন একটি কম্পিউটার তৈরি করা যায়, যা ডেস্কের ওপর রাখা যায়? এভাবেই জন্ম হলো ডেস্কটপ কম্পিউটারের ধারণা।
🧠 প্রথম ডেস্কটপ কম্পিউটার
প্রথম দিকে ডেস্কটপ কম্পিউটার খুবই সাধারণ ছিল। এগুলোতে ছিল—
কিবোর্ড
ছোট মনিটর
সাধারণ প্রসেসর
তবে এগুলোই মানুষকে কম্পিউটার ব্যবহারের নতুন দরজা খুলে দিল। আর সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ল "ব্যক্তিগত কম্পিউটার" বা পার্সোনাল কম্পিউটার।
💡 বড় পরিবর্তন – ১৯৮০ দশক
১৯৮১ সালে IBM তৈরি করলো IBM PC—এটি ছিল একটি জনপ্রিয় ও শক্তিশালী ডেস্কটপ কম্পিউটার। এরপর ১৯৮৪ সালে Apple তৈরি করল Macintosh, যা প্রথমবারের মতো দেখালো—
মাউস
আইকন
গ্রাফিক্যাল স্ক্রিন
যার ফলে কম্পিউটার ব্যবহার করা হলো আরও সহজ, মজাদার এবং সবার জন্য উপযোগী।
🌍 ১৯৯০–এর দশক: কম্পিউটার ঘরে ঘরে
এই সময় থেকেই ডেস্কটপ কম্পিউটার সাধারণ মানুষের ঘরে প্রবেশ করে। মানুষ ব্যবহার করতে শুরু করল—
লিখতে
পড়াশোনা করতে
ইন্টারনেট চালাতে
গেম খেলতে
ডেস্কটপ কম্পিউটার হয়ে উঠল শেখা, কাজ এবং বিনোদনের প্রধান মাধ্যম।
⚡ ২০০০ সাল থেকে আজ পর্যন্ত
ডেস্কটপ কম্পিউটার আরও শক্তিশালী হয়ে উঠল। এতে করা যায়—
ভিডিও এডিটিং
গ্রাফিক্স ডিজাইন
ভারী গেমিং
অনলাইন কাজ
3D মডেলিং
অনেকে নিজের মতো করে কাস্টম পিসি বানায়—বড় গ্রাফিক্স কার্ড, রঙিন লাইট, কুলিং সিস্টেম ইত্যাদি দিয়ে।
🤖 আজকের ডেস্কটপ কম্পিউটার
আজকের ডেস্কটপ—
দ্রুত
আধুনিক
আপগ্রেড করা সহজ
কাজের জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী
যদিও ল্যাপটপ ও মোবাইল খুব জনপ্রিয়, তবুও ডেস্কটপ কম্পিউটার তার শক্তি ও কর্মক্ষমতার জন্য আজও অপরিহার্য।
✨ গল্পের মূল কথা
ডেস্কটপ কম্পিউটারের গল্প হলো প্রযুক্তির অগ্রগতির গল্প। বিশাল একটি মেশিন থেকে আজকের ছোট, শক্তিশালী এবং ব্যবহারবান্ধব কম্পিউটারের যাত্রা—এটাই মানুষের চিন্তা, গবেষণা ও উন্নতির ফল।
আপনি চাইলে আমি আরও ছোট গল্প, মজার গল্প, বা স্কুল প্রজেক্ট স্টাইলে সাজিয়ে দিতে পারি।
Long ago, before people had computers at home, machines were huge. They were so big that they filled entire rooms. Only scientists, governments, or big offices could use them. These early machines were powerful, but they were expensive and very difficult to operate.
🌱 The Beginning
In the 1970s, technology started to change. Engineers discovered ways to make electronic parts smaller and faster. Because of this, computers no longer needed to be the size of a house — they could fit on a desk.
This is where the idea of the desktop computer was born.